অনলাইন ইনকাম

মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে টাকা আয় করার ১৪ টি সহজ উপায়।

কীভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করা যায়? মোবাইল দিয়ে অনলাইনে টাকা আয় করুন খুব সহজে।

আমরা আমাদের প্রাত্যহিক দিনের দীর্ঘ সময় ব্যয় করি মোবাইল টিপাটিপি, গান শুনে, গেমস খেলে, ভিডিও দেখে, নেট ব্রাউজ করে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে।

আমরা আমাদের অলস সময় ছাড়াও অনেক মূল্যবান সময় নষ্ট করি এসবের পিছনে। অথচ আমরা আমাদের এসব অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে হাতে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে টাকা আয় করতে পারি।

যা হয়তো অনেকেই জানিনা। তবে বেশিরভাগ স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলেরা অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন করতে আগ্রহী।

কিন্তু কম্পিউটার নেই বলে কিছু করতে পারেনা। মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার উপায় তারা জানেনা আর জানলেও সঠিক দিকনির্দেশনা তারা পায়না।

অনলাইনে অসংখ্য টাকা আয় করার Appsটাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট রয়েছে। তবে তার সিংহভাগই হচ্ছে ভুয়া।

ইউটিউবসহ বিভিন্ন ব্লগ ওয়েবসাইটে “মাত্র ৫ মিনিট কাজ করে এন্ড্রয়েড মোবাইল দিয়ে ৫০০-১০০০ টাকা আয় করুন, মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট app মাত্র ১০ মিনিট কাজ করে।” ইত্যাদি ইত্যাদি শিরোনামে অসংখ্য ভুয়া ভিডিও, পোস্ট দেখা যায়।

আমি হলফ করে বলতে পারি, যার সবই ভুয়া। যারা এসব পোস্ট ও ভিডিও প্রকাশ করে তারা হয়তো রেফার করে কিছু টাকা আয় করতে পারে তবে যারা তাদের অনুকরণ করে এসব করে তাদের সময় নষ্ট করা ছাড়া কোনো লাভই হয়না।

আমি নিজেও ছাত্র জীবনের মহামূল্যবান সময় এসবের পিছনে নষ্ট করেছি। কতশত বাটপারের খপ্পরে পড়ে কতো টাকা নষ্ট করেছি তার হিসাব নেই।

আর এতো দিনের এতো চেষ্টা, এতো পরিশ্রম সবই বৃথা। তবে শুরুর দিক থেকেই যদি সঠিক দিকনির্দেশনা পেতাম তাহলে অনেক আগেই অনেক কিছুই শিখতে পেতাম।

এতো বছর পরে এসে অনেক কিছু শিখতে পারলেও কর্মব্যস্ততায় জন্য তা আর করা হয়ে উঠে না।

তাই যারা অনলাইনে “মোবাইল দিয়ে কিভাবে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা যায়, কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করব, কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা আয় করা যায়?” ইত্যাদি ইত্যাদি লিখে খোজাখুজি করেন তাদের জন্যই আজকের এই আর্টিকেল।

চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক আসলেই মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে টাকা আয় করা যায় কিনা।

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার নিয়ম
মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার নিয়ম

মোবাইল দিয়ে কি টাকা আয় করা যায়? (মোবাইল দিয়ে টাকা আয় ২০২১)

আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে, “মোবাইল দিয়ে কি সত্যি সত্যিই টাকা আয় করা যায়?” এর উত্তর হচ্ছে, হ্যাঁ মোবাইল দিয়ে আউটসোর্সিং করা যায়।

তবে এর জন্য প্রয়োজন পড়বে স্মার্টফোন। আর আমরা জানি আমাদের হাতের স্মার্টফোন দিয়ে অনেক কঠিন কঠিন কাজ করে ফেলতে পারি, তাহলে টাকা কেন উপার্জন করতে পারবো না?

তবে মোবাইল দিয়ে টাকা উপার্জন করতে হলে আপনাকে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে পারদর্শী হতে হবে।

এর জন্য প্রয়োজন পড়বে প্রচুর আগ্রহ, চেষ্টা, সময় ও পরিশ্রম।

আজকের এই আর্টিকেল থেকে মোবাইল দিয়ে কিভাবে টাকা আয় করা যায় তার সঠিক উপায়গুলো জানতে পারবেন। (মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার উপায় ২০২১)

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার ১৪ টি সহজ উপায়। | মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে কীভাবে আয় করা যায়?

০১. মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করে আয়।

অনলাইন থেকে টাকা আয় করার বিভিন্ন উপায় থাকলেও আমার দৃষ্টিতে ব্লগিং করে টাকা আয় করাটা খুবই সহজ ও কার্যকরী একটি উপায়।

আপনি হয়তো জেনে খুশি হবেন ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করা থেকে শুরু করে টাকা আয় করা পর্যন্ত সবই করা যাবে আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনটি দিয়েই।

ব্লগিং এর আরো একটি সুবিধা হচ্ছে অতি অল্প টাকা খরচ করেই অনেক ভালো মানের ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।

তবে আপনি চাইলে ফ্রীতেও ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। ফ্রীতে ওয়েবসাইট তৈরি করার একটি জনপ্রিয় প্লাটফর্ম হচ্ছে Blogger।

Blogger হচ্ছে গুগলের একটি সেবা। যেখানে তারা ফ্রীতেই আনলিমিটেড হোস্টিং ও সাব ডোমেইন দিয়ে থাকে।

ইউটিউব ও বিভিন্ন ব্লগ ওয়েবসাইটে এসব বিষয়ে অনেক ভিডিও ও আর্টিকেল পাবেন। সেগুলো দেখে দেখে আজই তৈরি করে ফেলতে পারেন আপনার শখের ফ্রী ওয়েবসাইট।

তারপর আপনি যেসকল বিষয়ে ভালো জানেন তা নিয়ে আর্টিকেল লেখা শুরু করে দিন। আপনার ব্লগে ভিজিটর্স বা ট্রাফিক আসা শুরু করলে বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন।

ব্লগ ওয়েবসাইট থেকে টাকা আয়ের জনপ্রিয় মাধ্যমগুলো হলো: গুগল এডসেন্স, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এবং পেইড রিভিউ।

আপনি চাইলে আয় করা টাকা দিয়ে পরবর্তীতে একটি টপ লেভেল ডোমেইন কিনে সাইটে যুক্ত করতে পারবেন।

আরো বিস্তারিত জানতে “ব্লগ ওয়েবসাইট কী? ব্লগ ওয়েবসাইট থেকে কীভাবে টাকা আয় করা যায়?” আর্টিকেলটি পড়তে পারেন।

০২. মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে আয়।

ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য খুবই জনপ্রিয় দুটি CMS (Content Management System) হচ্ছে WordPress এবং Blogger। ওয়ার্ডপ্রেস ও ব্লগারে সাইট তৈরি করা খুবই সহজ।

এর জন্য আপনাকে কষ্ট করে কোডিং শেখার প্রয়োজন নেই। ওয়ার্ডপ্রেস ও ব্লগারের জন্য পূর্ব থেকেই তৈরি করা অসংখ্য থিম বা টেম্পলেট রয়েছে।

যার মধ্যে কিছু থিম পেইড আর কিছু থিম ফ্রী। আপনাকে শুধু কাস্টমাইজ করা জানতে হবে। অধিকাংশ থিমই স্মার্টফোন দিয়ে কাস্টমাইজ করা যায়।

এসব শিখে অন্যের ওয়েবসাইট বানিয়ে দিয়ে টাকা উপার্জন করতে পারবেন। আর আগে থেকেই ওয়েবসাইট বানিয়ে তা বিক্রি করেও টাকা আয় করতে পারবেন।

(মোবাইল দিয়ে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?)

০৩. মোবাইল দিয়ে বুস্ট, প্রমোট করে আয়।

অনেকেই তাদের ব্যবসায়িক প্রচারণার জন্য ফেসবুকে পেইজ প্রমোট ও বুস্টিং করতে আগ্রহী। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেরই কোনো ডুয়েল কারেন্সি কার্ড না থাকার কারণে তা করতে পারছেনা।

আপনি এ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন। আপনার কাছে যদি কোনো একটি ব্যাংকের ডুয়েল কারেন্সি যুক্ত ভিসা বা মাস্টারকার্ড থেকে থাকে তাহলে তাদেরকে প্রমোট ও বুস্টিং সুবিধা দিয়ে টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

আর কোনো ডুয়েল কারেন্সি যুক্ত ভিসা বা মাস্টারকার্ড না থাকে তাহলে তা তৈরি করে কাজ শুরু করে দিতে পারেন। তাহলে মোবাইল দিয়ে বিকাশে টাকা আয় করতে পারবেন।

০৪. মোবাইল দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল থেকে টাকা আয়।

আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়ে ফ্রীতেই একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে নিতে পারেন। তারপর আপনার যে বিষয়ে ভালো জ্ঞান আছে সে বিষয়ে ভিডিও বানিয়ে নিয়মিত আপলোড করে যেতে হবে।

আপনার কাছে যদি কম্পিউটার এবং ক্যামেরা না থাকে তাহলেও চিন্তার কোনো কারণ নেই। ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করার জন্য অসংখ্য নীশ রয়েছে যেগুলোর ভিডিও আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়েই তৈরি করতে পারবেন।

স্মার্টফোন দিয়ে ভিডিও বানানো যায় এমন ১৫ টি টপিক আইডিয়া দেখে আপনার পছন্দের টপিক খুজে নিয়ে কাজ করা শুরু করে দিন।

আপনার চ্যানেলে যখন ১ হাজার সাবস্ক্রইবার এবং ৪ হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম হয়ে যাবে তখন আপনি monetization এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ইউটিউব চ্যানেল জনপ্রিয় হলে গুগল এডসেন্স ছাড়াও প্রোডাক্ট বিক্রিয়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, পেইড প্রমোট, পেইড রিভিউ ইত্যাদি করে টাকা আয় করতে পারবেন।

(কিভাবে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করা যায়?)

০৫. মোবাইল দিয়ে কন্টেন্ট লিখে টাকা আয়।

আপনি যদি লেখালেখি করতে ভালোবাসেন এবং আপনার যদি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে ভালো জ্ঞান থেকে থাকে তাহলে তা কাজে লাগিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

বিভিন্ন ব্লগ ওয়েবসাইট, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ফোরাম সাইটে সুযোগ পাবেন লেখালেখির জন্য। আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়েই আর্টিকেল বা কন্টেন্ট লিখে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি যদি ভালো মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলে তা বিক্রি করে বেশ ভালো পরিমাণের আয় করা সম্ভব।

০৬. ক্যাপচা টাইপিং করে টাকা আয়।

আপনি হয়তো খেয়াল করেছেন আমরা যখন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট তৈরি করার চেষ্টা করি তখন কিছু ছবি বা সংখ্যা অস্পষ্ট ভাবে থাকে সেগুলোকে আমাদের আবার নিচে একটি ফাকা ঘরে লেখার জন্য বলা হয়। এগুলোকেই ক্যাপচা বলা হয়।

কম্পিউটার এবং মোবাইলে ক্যাপচা এন্ট্রি করে টাকা আয় করা খুবই সহজ। তবে এর জন্য প্রচুর সময় দিতে হয়। যে কেউই চাইলে ক্যাপচা টাইপিং করতে পারবে এর জন্য বিশেষ কোনো দক্ষতার প্রয়োজন নেই।

তবে আয়ের পরিমান নির্ভর করে টাইপিং স্পিড এর উপর। ক্যাপচা টাইপিং করে টাকা আয়ের বিশ্বস্ত কিছু ওয়েবসাইট হলো, 2Captcha.com, Captcha2Cash.Com, Kolotibablo.Com

(কিভাবে online থেকে টাকা আয় করা যায়)

০৭. লিংক শর্ট ওয়েবসাইট থেকে টাকা আয়।

মোবাইল দিয়ে সহজে অনলাইন থেকে টাকা আয় করার আরেকটি মাধ্যম হচ্ছে Link Shortener ওয়েবসাইট। আপনাকে প্রথমে কোনো বিশ্বস্ত শর্ট লিংক ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।

এরপর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সফটওয়্যার, গেমস, আর্টিকেল, ভিডিও, ডাউনলোড পেইজ ইত্যাদির লিংকগুলো উক্ত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শর্ট করে সেগুলো শেয়ার করতে হবে।

শেয়ার করা লিংকে যখন কেউ প্রবেশ করবে তখন সেখানে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে। যার ফলে আপনার অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমাণে অর্থ জমা হতে থাকবে। এভাবে লিংক শেয়ার করা ছাড়াও রেফারের মাধ্যমে আয়ের সুযোগও রয়েছে।

জনপ্রিয় শর্ট লিংক ওয়েবসাইটগুলো হলো: bitly.com, Adf.Ly, ShrinkMe.Io, Shortzon.Com

০৮. মোবাইল দিয়ে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করার নিয়ম।

আমাদের সবারই একটি করে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তবে অনলাইনে টাকা আয় করার আরেকটি মাধ্যম যে ফেসবুক তা অনেকেই জানি না।

ফেসবুকের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে আয় করার সুযোগ রয়েছে। যেমন: ফেসবুক পেইজ এবং গ্রুপ বিক্রি, ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল, ফেসবুক অ্যাপস এর মাধ্যমে, ফেসবুক শপ, ফেসবুক ভিডিও মনিটাইজেশন, এফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি ইত্যাদি।

যা আপনি হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়েই করতে পারবেন। বিস্তারিত এখান থেকে জেনে নিতে পারেন। (অনলাইন থেকে টাকা আয় ২০২১)

০৯. ফটো ও ভিডিও বিক্রি করে মোবাইল দিয়ে টাকা উপার্জন করার নিয়ম।

স্মার্টফোন দিয়ে ছবি তুলতে কে না পছন্দ করে! যদি আপনার স্মার্টফোনে তুলা ছবি, ভিডিও বিক্রি করে ইন্টারনেট থেকে টাকা ইনকাম করা যায় তাহলে কেমন হয়?

অনলাইনে এমন বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে ছবি, ভিডিও ক্রয়-বিক্রয় করা হয়। এমন কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হলো: ShutterStock.Com, Snapwire.Co, Foap.Com

১০. মাইক্রোওয়ার্ক ওয়েবসাইট থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা আয়।

এমন কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে ছোট ছোট অনেক সহজ কাজ করে ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে। যেমন: ভিডিও দেখা, পোস্ট শেয়ার, কমেন্ট করা, অ্যাকাউন্ট খোলা, অ্যাপ ইন্সটল করা ইত্যাদি।

এসব সাইটকে মাইক্রোওয়ার্ক সাইট বলে। আপনি চাইলে আপনার স্মার্টফোন দিয়েও এসব মাইক্রোওয়ার্ক ওয়েবসাইট থেকে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

এমন দুটি ওয়েবসাইট হলো: MicroWorkers.Com এবং PicoWorkers.Com। (কিভাবে অনলাইন থেকে টাকা আয় করা যায়)

১১. মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার অ্যাপস।

মোবাইল দিয়ে অনলাইনে টাকা আয় করার আরো একটি উপায় হলো অনলাইনে টাকা আয় করার বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ।

এখন প্রশ্ন করতে পারেন, কোন সফটওয়্যার দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায়? অনলাইনে টাকা আয় করার অসংখ্য মোবাইল সফটওয়্যার রয়েছে।

তবে যার বেশিরভাগই প্রথম অবস্থায় পেমেন্ট করলেও পরে আর খুঁজে পাওয়া যায়না। আর দীর্ঘ সময় পর্যন্ত টাকা আয় করার apps আপনি খুজে পাবেন না।

তাই আপনার প্রতি আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ থাকবে এসব অনলাইনে টাকা আয় করার অ্যাপ এর পিছনে সময় ও পরিশ্রম নষ্ট না করে অন্যান্য উপায়গুলো অনুসরণ করুন।

১২. মোবাইল দিয়ে PTC ওয়েবসাইট থেকে টাকা ইনকাম।

PTC এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Pay To Click। পিটিসি ওয়েবসাইটে বিভিন্ন প্রডাক্টের প্রোমোশন বা ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানোর জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে।

আপনাকে যা করতে হবে এসব ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিয়মিত তাদের বিজ্ঞাপন দেখতে হবে। আর বিজ্ঞাপন দেখার ফলে আপনার অ্যাকাউন্টে অল্প অল্প করে ডলার জমা হতে থাকবে।

তবে এসব সাইটে যে পরিমাণ সময় দিতে হয় সে তুলনায় আয় খুবই সামান্য যদি না আপনি রেফারেন্স দিয়ে আয় করতে পারেন।

বেশিরভাগ PTC ওয়েবসাইটগুলো ভুয়া হয় তাই কাজ শুরুর আগে সাইট সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। জনপ্রিয় কিছু পিটিসি ওয়েবসাইট হলো: NeoBux, ClixSense, FamilyClix, ojooo।

(কিভাবে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা যায়)

১৩. এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইনে ইনকাম।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কী তা যদি আপনাকে সহজ ভাষায় বুঝাতে চাই তাহলে ধরুন, আমার অনেকগুলো পণ্য রয়েছে।

আপনার সাথে আমার চুক্তি হলো যে, আপনি আমার পণ্যের প্রচার করে সেগুলো বিক্রি করে দিবেন আর তার বিনিময়ে আপনি আমার কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণের কমিশন পাবেন।

আপনার জন্য আমার পণ্যগুলো যে বিক্রি হলো এটাই মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অর্থাৎ অন্যের পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে সাহায্য করে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন নেওয়াই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য দেশি-বিদেশি অনেক কোম্পানি রয়েছে। যেমন: আলিবাবা, অ্যামাজন, দারাজ, বিডিশপ ইত্যাদি।

আপনি আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়েই এসব কোম্পানির ওয়েবসাইটে গিয়ে অ্যাফিলিয়েট অ্যাকাউন্ট তৈরি করে তাদের প্রডাক্ট ও সার্ভিসের প্রচার করে কমিশন নিতে পারেন।

১৪. স্মার্টফোন দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং।

স্মার্টফোন দিয়ে অনলাইন থেকে টাকা আয় করার উপায়গুলোর মধ্যে ফ্রিল্যান্সিং এর কথা শুনে হয়তো অবাক হচ্ছেন। ফ্রিল্যান্সিং এর অনেক কাজ আছে যেগুলো স্মার্টফোন দিয়েই করা যায়।

যেমন: কনটেন্ট রাইটিং, ট্রানস্ক্রিপশন, প্রডাক্ট ডেস্ক্রিপশন, কনটেন্ট রি-রাইটিং, ব্লগ কমেন্টিং, ফোরাম পােস্টিং, সােশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার, লােগাে ডিজাইন ইত্যাদি।

তবে আপনাকে এসব এক বা একাধিক বিষয়ে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। (মোবাইল দিয়ে আউটসোর্সিং করার উপায়)

শেষ কথা: মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার ১৪ টি উপায়ের মধ্যে আপনি কোনটিতে আগ্রহী তা অবশ্যই নিচের কমেন্ট বক্সে জানান।

আপনাদের আগ্রহের উপর ভিত্তি করে উক্ত বিষয়গুলো নিয়ে পরবর্তী আর্টিকেলগুলো লেখা হবে। ধন্যবাদ।

Mohammad Robin

আমি মুহাম্মদ রবিন, একজন সৌদি আরব প্রবাসী। আমার বাসা টাংগাইলের কালিহাতীতে। প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য নিজে জানার জন্য এবং আপনাদের জানানোর উদ্দেশ্যে এই ওয়েবসাইটটি তৈরি করেছি।
Back to top button
error: Content is protected !!